Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ

১। ভূমিকাঃ- বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলাধীন উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুন্ড, ফটিকছড়ি, ভূজপুর, রাউজান, হাটহাজারী ও রাংগুনিয়া (আংশিক) উপজেলা ও চট্টগ্রাম শহর নিয়া বনভূমি ও বনজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের উপর ন্যসত্ম। পাহাড়ের বনরাজি, সৃজিত বাগান, পশুপাখী, ঝরনা সবই আমাদের প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করে। বন ব্যবস্থাপনার নানাবিধ কাজ এই বন বিভাগের অধীনে সম্পাদিত হইয়া আসিতেছে। সংক্ষেপে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ এর বনভূমি, বনাঞ্চল, জনবল, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি, সহায়ক যন্ত্রপাতি, আয়-ব্যয়, উন্নয়ন বিনিয়োগ সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান ইত্যাদির চিত্র তুলিয়া ধরিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা।

 

২। সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম পর্যায়ে সৃষ্ট বন বিভাগগুলির মধ্যে চট্টগ্রাম বন বিভাগ অন্যতম। বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়ে গঠিত চট্টগ্রাম বন বিভাগের সদর দপ্তর প্রথমে রাঙ্গামাটিতে ছিল। ১৮৯৩ সনে চট্টগ্রাম বন বিভাগের সদর দপ্তর রাঙ্গামাটি হইতে চট্টগ্রাম স্থানামত্মর করা হয় এবং ১৮৯৩ ইং সন হইতেই চট্টগ্রাম বন বিভাগ সৃষ্টি ও বন ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শুরম্ন হয়। পরবর্তীতে ডিপার্টমেন্ট অব্ এগ্রিকালচার, কোপারেশান এন্ড রিলিফ, ফরেষ্ট ব্রাঞ্চ, নোটিফিকেশন, চিটাগাং- নং- ৬০৩৩ ফর- ২৪ মে ১৯৫১ মূলে চট্টগ্রাম বন বিভাগ ও কক্সবাজার বন বিভাগ নামে পৃথক ২ টি বন বিভাগ গঠিত হয়। চট্টগ্রাম বন বিভাগের সদর দপ্তর চট্টগ্রামে থাকিয়া যায় এবং কক্সবাজার বন বিভাগের সদর দপ্তর কক্সবাজারে নির্ধারণ করা হয়। এই ভাবে দীর্ঘ ১০৮ বৎসর যাবৎকাল চট্টগ্রাম বন বিভাগের কার্যক্রম চালু থাকার পর পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় এর প্রজ্ঞাপন নং- পবম/শা-২/বন(প্রঃসঃ)-২২/৯৮(৬)২৯৬ তারিখ- ২৪/০৬/২০০১ ইং এর প্রেক্ষিতে ২০০১ সনের ১৬ জুলাই হইতে  চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ রূপে পৃথক দুইটি বন বিভাগ গঠিত হয়।

 

৩। বিভাগের অবস্থানঃ-চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বে ২২°-১৩র্ ও ২২°-৫৯র্ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°-২৮র্ ও ৯১°-০৯র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের উত্তরে ফেণী নদী, দক্ষিণে কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ, পূর্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগ ও বঙ্গোপসাগর। অত্র বন বিভাগের পাহাড়ের মধ্যে সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় সমুদ্র পৃষ্ট হইতে ১২৪ মিটার উঁচু। গড়ে পাহাড়ের উচ্চতা ২০ মিটার। জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ। উষ্ণতা ১১°ডিগ্রী ও ৩৫°ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যবর্তী।  বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২২০০ হইতে ৩৪০০ মিলিমিটার। নদ-নদীর মধ্যে কর্ণফুলী, হালদা, ফেণী নদীই প্রধান। চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল লাইন, চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেল লাইন, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেল লাইন এই বিভাগের সহিত অন্যান্য স্থানের রেল যোগাযোগের মাধ্যম। ইহাছাড়া সড়ক ও জনপথ এর রাস্তা চট্টগ্রামকে ঢাকা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটী, বান্দরবান, লামা, খাগড়াছড়ি ও কাপ্তাই এর সহিত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিদ্যমান রাখিয়াছে।

 

৪।বন ভূমির ব্যবস্থাপনাঃ-

অত্র বিভাগের বনভূমি ১৮৯৩ সন হইতে ১৯৩৫ সন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পৃথক পৃথক গেজেট বিজ্ঞপ্তি মূলে সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত বন হিসাবে ঘোষণা প্রদান করা হইয়াছে। বিদ্যমান স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারাই ভূমি সংশ্লিষ্ট কাজ গুলি অন্যান্য কাজের পাশাপাশি সম্পাদন করা হইয়া থাকে।

 

৫। বন ভূমির রেকর্ডঃ-

১৮৯৩ ইং সনের পূর্বেকার সময়ের জমির দাগ নং ইত্যাদির কোন জরীপ রেকর্ডের অসিত্মত্ব না থাকায় তদানিমত্মন সময়ে ন্যাচারাল বাউন্ডারী (যেমন- ছড়া, ঝিরি, ধানী জমি/কৃষি জমি, রাসত্মা, খাল, বাড়ী, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি) বা অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ (ডিগ্রী-মিনিট) দ্বারা বনভূমির অবস্থান দেখাইয়া নোটিফিকেশন জারী করা হয়। এই সমস্থ নোটিফাইড বনভূমির কোন ঘেড়া-বেড়া নাই। চট্টগ্রাম জেলায় ১৮৯১-৯২ সনে সম্পাদিত প্রথম জরীপের খতিয়ান সি. এস (Cadastal Survey),১৯২৭-২৮ সনে সম্পাদিত জরীপের খতিয়ানকে আর. এস (Revisional Survey), ১৯৫৪-৫৬ সনের দিকে সম্পাদিত জরীপ রেকর্ডকে পি. এস (Pakistan Survey)  বা এস. এ (State Acquision)সার্ভে রেকর্ড হিসাবে বলা হয়। পি. এস বা এস. এ রেকর্ড  মাঠ পর্যায়ে সম্পাদিত না হওয়ায় উক্ত রেকর্ডের আইনগত ভিত্তি তেমন নাই। ১৯৮০-৮৫ সনে সম্পাদিত জরীপ রেকর্ড অর্থাৎ সর্বশেষ জরীপ রেকর্ড বা খতিয়ানকে স্থানীয়ভাবে বি. এস (Bangladesh Survey)  রেকর্ড/ খতিয়ান হিসাবে বলা হয়। ১৯২৭-২৮ সনে সম্পাদিত আর. এস খতিয়ানে বা আরো পূর্বেকার নোটিফাইড বনভূমি সরকার পক্ষে ডেপুটি কমিশনারের নামে খতিয়ানে রেকর্ডভূক্ত করা হয়। পি. এস  বা এস. এ খতিয়ানেও ডেপুটি কমিশনারের নামে খতিয়ানে রেকর্ডভূক্ত থাকে। পরবর্তীতে ১৯৮০-৮৫ সনে সম্পাদিত বি. এস খতিয়ান প্রনয়নকালে বন বিভাগের নামে ২ নং খতিয়ান সৃজন করা হয়। 

 

৬। নোটিফাইড বন ভূমির ভূমি উন্নয়ন করঃ-নোটিফাইড বন ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর দাবী করায বন আইন ও রাজস্ব বিভাগের সার্কুলারের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়াছে। নোটিফাইড বন ভূমি খাস জমির অনুরূপ বিধায় ভূমি উন্নয়ন করের আওতা বহির্ভূত ঘোষণা করা প্রয়োজন। এই বিষয়টি বিবেচনার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় কর্তৃক ভূমি মন্ত্রনালয়কে অনুরোধ করা হইয়াছে।

 

৭। নোটিফাইড বন ভূমির পরিমানঃ-

বনভূমির প্রকার

আয়তন (একর)

আয়তন (হেক্টর)

মন্তব্য

সংরক্ষিত বনভূমি (R.F.)

১,১০,১৬১.৮৪

৪৪,৫৫৯.৪৫

 

রক্ষিত বনভূমি (P.F.)

২৫,৩৮৪.১৩

১০,২৭৬.৯৮

এই সমসত্ম বন বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত

অর্পিত বনভূমি (V.F.)

৩,৪৫০.৬৬১,৩৯৭.০৩

 

মোট =

১,৩৯,৮৩৭.৪১৫৬,৬১৪.৩৪

 

              

  

 

 

৮। বনভূমি জবরদখলঃ-

চট্টগ্রাম জেলায় ১৯৭১ ইং এর স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী সময় এবং ১৯৯১ ইং সনের ২৯ শে এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে আশ্রয় ও সহায় সম্বলহীন মানুষ বন এলাকায় জবরদখল করিয়াছে। বর্তমানে  নূতনভাবে যাহাতে বনভূমি জবরদখল না হয় তাহার প্রতি বনকর্মচারীগন সতর্কতা অবলম্বন করিতেছে। নূতনভাবে বনভূমি জবরদখল হওয়ার তেমন কোন উল্লেখযোগ্য সংবাদ ইদানিংকালে পাওয়া যায়নাই। অংশীদারিত্বমূলক বনায়নের মাধ্যমে বেশ কিছু জমি জবরদখলমূক্ত করা হইয়াছে।

 

জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম বরাবরে ১,৫৬৫.৭৮ একর জবর দখলকৃত বনভূমি হইতে জবরদখলকারীদের উচেছদ কল্পে পৃথক পৃথকভাবে ১,৯৬২ টি নোটিশের মূল কপি,  আর. এস, বি. এস  দাগ নম্বর,  জমির পরিমান,  আনুমানিক মূল্য ইত্যাদি তথ্যাদি সহ পৃথক পৃথকভাবে প্রস্তাব প্রেরণ করা হইয়াছে।

 

৯। জবরদখলকৃত বনভূমিঃ-

ক্রম

রেঞ্জের নাম

বিটের নাম

জবরদখলকৃত এলাকা (হেক্টর)

মন্তব্য

০১

হাটহাজারী

হাটহাজারী

১০০.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

শোভনছড়ি

৫০.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

শর্তা

২০০.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

মন্দাকিনি

৪০০.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত

০২

ইছামতি

ইছামতি

৬.৫২

বসতবাড়ী সহ

 

 

নিশ্চিন্তপুর

৪১.২৯

আংশিক বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

বগাবিল

৪১.৫৯

আংশিক বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৩

অলিনগর

অলিনগর

১১৬.৩৭

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৪

করেরহাট

করেরহাট

১,২০০.০০ 

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

অাঁধারমানিক

২,৫৪৯.৯৪

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

কয়লা

৮৮৩.৫০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

হিয়াখোঁ

৪০৩.১৯

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৫

মীরসরাই

গোবানিয়া

৯.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৬

বারৈয়াঢালা

বারৈয়াঢালা

৪.০০

বৃক্ষাচ্ছাদিত ও সবজি চাষ

 

 

বড়তাকিয়া

৭.৬০

বৃক্ষাচ্ছাদিত ও সবজি চাষ

 

 

বাড়বকুন্ড

৮৩.৬৪

বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

শীতলপুর

৫৮.৪৩

বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৭

নারায়নহাট

নারায়নহাট

২০৫.০০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

দাঁতমারা

২৭৫.০০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

বালুখালী

৫৯৬.০০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

ধুরং

২৩৬.০০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৮

হাজারীখিল

হাজারীখিল

৫০.০০

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

ফটিকছড়ি

১৫.৪২

বৃক্ষাচ্ছাদিত

০৯

হাসনাবাদ

হাসনাবাদ

১৭৮.৮২

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

তারাখোঁ

২০৫.২১

বাড়ী ঘর ও বৃক্ষাচ্ছাদিত

 

 

 মোটঃ

৭,৯১৬.৫২ হেক্টর।                     

এ পর্যন্ত উদ্ধার ১,৬০০.০ হেঃ।

 

                                                           সারসংক্ষেপঃ-

বাড়ীঘর সমৃদ্ধ জবরদখলকৃত = ২,৫৫৬.৫২ হেক্টর

বৃক্ষাচ্ছাদিত জবরদখলকৃত   = ৫,৩৬০.০০ হেক্টর

                         মোটঃ-৭,৯১৬.৫২ হেক্টর।     

 

১০। অফিস/ ইউনিটঃ-(বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, এস.ডি.এফ.ও, সহকারী বন সংরক্ষক, সদর, চট্টগ্রাম,করেরহাট)।

রেঞ্জ/নার্সারীর নাম

বিট/চেক স্টেশণ/ইউনিটের  নাম

বিভাগীয় কার্যালয় হইতে  আনুমানিক দূরত্ব

১। হাটহাজারী

১। হাটহাজারী বিট-কাম-চেক স্টেশণ

১৮.০ কিলোমিটার

 

২। শোভনছড়ি

৫০.০ কিলোমিটার

 

৩। শর্তা

৬০.০ কিলোমিটার

 

৪। মন্দাকিনি

৩৫.০ কিলোমিটার

 

৫। নাজিরহাট ডিপো

৪০.০ কিলোমিটার

২। ইছামতি

৬। ইছামতি

৪৬.০ কিলোমিটার

 

৭। নিশ্চিন্তপুর

৫৫.০ কিলোমিটার

 

৮। বগাবিল

৫০.০ কিলোমিটার

৩। নারায়নহাট

৯। নারায়নহাট

৬৫.০ কিলোমিটার

 

১০। দাঁতমারা

৭০.০ কিলোমিটার

 

১১। বালুখালী

৬৫.০ কিলোমিটার

 

১২। ধুরং

৪৫.০ কিলোমিটার

৪। করেরহাট

১৩। করেরহাট বিট-কাম-চেক স্টেশণ

৮০.০ কিলোমিটার

 

১৪। অাঁধারমানিক

৮৫.০ কিলোমিটার

 

১৫। কয়লা

৭০.০ কিলোমিটার

 

১৬। হিয়াখোঁ

৬৫.০ কিলোমিটার

 

১৭। ধুমঘাট চেক স্টেশণ

৮৫.০ কিলোমিটার

৫। মীরসরাই

১৮। হিংগুলি

৮০.০ কিলোমিটার

 

১৯। জোরারগঞ্জ

৭০.০ কিলোমিটার

 

২০। গোবানিয়া

৬৫.০ কিলোমিটার

৬। অলিনগর

২১। অলিনগর

৮৫.০ কিলোমিটার

৭। বারৈয়াঢালা

২২। বারৈয়াঢালা

৪০.০ কিলোমিটার

 

২৩। বড়তাকিয়া

৫৫.০ কিলোমিটার

 

২৪। সীতাকুন্ড

৩৫.০ কিলোমিটার

৮। কুমিরা

২৫। কুমিরা

২৪.০ কিলোমিটার

 

২৬। বাড়বকুন্ড

৩০.০ কিলোমিটার

 

২৭। শীতলপুর

১৮.০ কিলোমিটার

 

২৮। ফৌজদারহাট চেক স্টেশণ

১৬.০ কিলোমিটার

৯। হাজারীখিল

২৯। হাজারীখিল

৬০.০ কিলোমিটার

 

৩০। ফটিকছড়ি

৬০.০ কিলোমিটার

 

৩১। বারমাসিয়া

৭০.০ কিলোমিটার

১০। হাসনাবাদ

৩২। হাসনাবাদ

৭০.০ কিলোমিটার

 

৩৩। তারাখোঁ

৭০.০ কিলোমিটার

১১। শহর রেঞ্জ (বিভাগীয় সদর)

-

০০.০ কিলোমিটার

১২। কালুরঘাট রেঞ্জ

৩৪। কালুরঘাট ডিপো

০৯.০ কিলোমিটার

১৩। সার্ভে রেঞ্জ

-

০০.০ কিলোমিটার

১৪। হাটহাজারী এস.এফ.এন.টি.সি.

-

৪০.০ কিলোমিটার

১৫। রাউজান এস.এফ.এন.টি.সি.

-

৩৭.০ কিলোমিটার

১৬। নাসিরাবাদ এস.এফ.এন.টি.সি.

-

০৮.০ কিলোমিটার

১৭। ফটিকছড়ি এস.এফ.পি.টি.

-

৬০.০ কিলোমিটার

১৮। সীতাকুন্ড এস.এফ.পি.টি.

-

৩৫.০ কিলোমিটার

১৯। মীরসরাই এস.এফ.পি.টি.

-

৬০.০ কিলোমিটার

মোটঃ- রেঞ্জ-১৩ টি, বিট-২৮ টি, বনজদ্রব্য পরীক্ষণ ফাঁড়ী-০৩ টি, ডিপো-০২ টি, এসএফএনটিসি-৩ টি, এসএফপিসি-৩ টি =৫২ টি।

 

১১।কর্মকর্তা-কর্মচারী ঃ-(অনুন্নয়ন) (১৩.০৩.২০১২ খ্রিঃ)।

ক্রম

পদের নাম

মঞ্জুরীকৃত পদ

পুরনকৃত পদ

শুন্য পদ

মমতব্য

০১

উপ-বন সংরক্ষক

-

 

০২

মহকুমা বন কর্মকর্তা

-

 

০৩

সহকারী বন সংরক্ষক

 

০৪

নক্শাকার

-

 

০৫

ফরেষ্ট রেঞ্জার

১৭

১৫

 

০৬

প্রধান সহকারী

-

 

০৭

স্টেনো টাইপিস্ট কাম কঃ অঃ

-

 

০৯

হিসাব রক্ষক

-

 

১০

ক্যাশিয়ার

-

 

১১

উচচমান সহকারী

-

 

১২

অফিস সহকারী

 

১২

সার্ভেয়ার

-

 

১৩

ডাটাএন্টি অপারেটর

-

 

১৪

ডেপুটি রেঞ্জার

২৭

২২

 

১৫

ফরেস্টার

৫৫

৫১

 

১৬

 ক্যাশ সরকার

-

 

১৭

ডেসপাস রাইডার

-

 

১৮

বন প্রহরী

১৪৪

১৩২

১২

 

১৯

এম,এল,এস,এস

১০

 

২০

নৈশ প্রহরী

-

 

২১

ঝাড়ূদার

-

 

২২

বোট ম্যান

-

 

২৩

ড্রাইভার

-

 

২৪

ট্রাক্টর হেলপার

-

 

২৫

হেডমালী/মালী

৬০

৫৮

 

২৬

ওয়াচার/পেট্রোল গার্ড

 

২৭

বাংলো চৌকিদার/কটেজ কিপার

-

 

২৮

পাম্প অপারেটর

-

 

২৯

মাহুত

-

 

৩০

বাংলো এটেনন্ডেন্ট

-

 

৩১

গ্রাস কাটার

-

 

৩২

ট্রাক হেলপার

-

 

৩৩

এম,এল,এস,এস (আউট সোর্সিং)

-

 

 

মোটঃ-

৩৭২

৩১০

৬২

 

 

১২। বনজদ্রব্যের উৎপাদনঃ-

আর্থিক সন

কাঠ (লক্ষ ঘনফুট)

জ্বালানী কাঠ (লক্ষ ঘনফুট)

বাঁশ (লক্ষ সংখ্যা)

ছন(লক্ষ ভার)

২০০১-০২

০.৭৪

০.০৫

২৭.৫৮

০.৫১

২০০২-০৩

০.৬৪

০.২৩

২১.৯৩

০.১২

২০০৩-০৪

০.৬৩

০.২২

২১.৯৩

০.০২

২০০৪-০৫

০.৮২

০.৪৯

৩২.৩৩

০.০২

২০০৫-০৬

০.৯৭

০.২৩

৪৭.৭২

০.০২

২০০৬-০৭

০.৩৭

০.২২

৩৫.০০

০.০২

২০০৭-০৮

০.২৪

০.১৬

৩৯.০০

০.০৩

২০০৮-০৯

০.৩১

০.০৬

২৩.০০

০.০২

২০০৯-১০

০.৪৬

০.১৩

২৫.৩৫

০.০১

২০১০-১১

০.২৮

০.২০

৪৫.৪৬

০.০১

২০১১-১২

 

 

 

 

 

১৩। আয়-ব্যয়ঃ-

আর্থিক সন

রাজস্ব আয় (লক্ষ টাকা)

রাজস্ব ব্যয় (লক্ষ টাকা)

উন্নয়ন বিনিয়োগ (লক্ষ টাকা)

২০০১-০২

৪১৯.৮৩

২৩৪.১১

২৮৬.৯৫

২০০২-০৩

২৭২.৭৪

২৭০.৭০

৪৫১.৩৫

২০০৩-০৪

৬৬৩.০৫

৩৫৭.৩৭

৭৩৩.৫৬

২০০৪-০৫

৪১২.৯৩

৩০০.৮০

৫৮০.৭৪

২০০৫-০৬

৪৭৪.৩০

১৬,৭৬

৮১৫.১৪

২০০৬-০৭

২৯৭.৪৭

৪৯৬.০০

৩৪৪.৮৭

২০০৭-০৮

২০৬.০৮

৫২২.৯২

৪২.৮৭

২০০৮-০৯

৫৯৭.৭৭

৪৭৭.১৯

৫০.৩৮

২০০৯-১০

২০৪.৩৭

৫৪৩.১৪

৪২৯.৮৯

২০১০-১১

২৫৫.৭৯

৬০৬.১২

৭৪৭.৩৬

২০১১-১২

 

 

 

১৪। আটককৃত কাঠের তথ্যাদিঃ

ক্রমঃ

সন

আটক বনজদ্রব্যের বিবরণ

কাঠ (ঘনফুট)

জ্বালানী (ঘনফুট)

বল্লী (সংখ্যা)

২০০১-০২ ইং

৫২,৩৭৯.০০

৩১,৯২৪.০০

১৭৯৩ টি

২০০২-০৩ ইং

২৮,৯৫৪.৬১

৩৬,৩৯১.৪৮

১৬৪৩ টি

২০০৩-০৪ ইং

১৯,২০১.৭৭

১৮,১৮৫.৭৮

৪৪৮০ টি

২০০৪-০৫ ইং

২২,৭৩৩.৫৫

২৪,৬১৪.৫২

৮৮৭ টি

২০০৫-০৬ ইং

২০,৭৭৬.১৭

৫,৩৪৮.৫৪

৬৫৮ টি

২০০৬-০৭ ইং

২৯,১১৯.২৬

১৪,৪৫৫.৫০

৮৯৯ টি

২০০৭-০৮ ইং

৪০,৮৯৭.৮৬

২০,৮৮০.৬২

৬২০ টি

২০০৮-০৯ ইং

৩১,৪৩২.৭৮

৬,৮১২.০২

২৩২০ টি

২০০৯-১০ ইং

২৫,৮০৩.৯৮

১১,৫৬৮.২৩

১১০২ টি

১০

২০১০-১১ ইং

২৫,৮৩৩.২২

২৭,৬১০.১৩

৫১২ টি

১১

২০১১-১২ ইং

 

 

 

 

 

১৫। বন মামলাঃ-

সন

POR

COR

UDOR

মোট

আসামীর সংখ্যা

ধৃত আসামীর সংখ্যা

নিষ্পত্তিকৃত PORমামলার সংখ্যা

আটক যানবাহন

২০০১-০২ ইং

৫৩২

৮৯

১৫৪

৭৭৫ টি

২৬৬৯

১৬৫

২৬ টি

৫২ টি

২০০২-০৩ ইং

৪৩২

৪৯

৩৯০

৮৭১ টি

১৬৪৯

১৪৯

২৬ টি

২৭ টি

২০০৩-০৪ ইং

৩৫৭

৬৩

২৯৯

৭১৯ টি

১৪৯১

১৪৯

৪৬ টি

৭০ টি

২০০৪-০৫ ইং

২৫৫

৫৫

৩২৩

৬৩৩ টি

১০২৮

১০৪

১৭ টি

৭৩ টি

২০০৫-০৬ ইং

১৯০

৪৫

২৪৬

৪৮১ টি

৭৪৮

৯৫

১৯ টি

৩০ টি

২০০৬-০৭ ইং

২১১

৬২

৩১৮

৫৯১ টি

৭৪৮

৯২

১৫ টি

৭৭ টি

২০০৭-০৮ ইং

১৫১

১১৬

৩৮২

৬৪৯ টি

৫৫২

৭৩

 ৮৩ টি

১৩৫ টি

২০০৮-০৯ ইং

১৪০

১১০

৩০০

৫৫০ টি

৫৬৮

১৪৮

১৪৬ টি

১৪৮ টি

২০০৯-১০ ইং

১৬১

৮৪

৩১২

৫৫৭ টি

৬২১

২৩

১০৭ টি

৮৫ টি

২০১০-১১ ইং

১২৭

১২৭

৩৪৮

৬০২ টি

৩৯৭

২২

১৩১ টি

১৩৩ টি

২০১১-১২ ইং

 

 

 

 

 

 

 

 

 

১৬। অন্যান্য ফৌজদারী মামলাঃ-

 

আর্থিক সন

এ্যাসল্ট(জি.আর) মামলার সংখ্যা

গুরুতরভাবে আহত কর্মচারীর সংখ্যা

নিহত কর্মচারীর সংখ্যা

২০০১-০২

১০

০৫

-

২০০২-০৩

০৮

০৬

-

২০০৩-০৪

১৮

০৮

-

২০০৪-০৫

০৭

১৫

০১

২০০৫-০৬

০৪

০৭

-

২০০৬-০৭

০৩

০৪

-

২০০৭-০৮

০৭

০৮

-

২০০৮-০৯

০৪

১০

-

২০০৯-১০

০২

০২

-

২০১০-১১

১১

০৪

-

২০১১-১২

 

 

 

 

১৭। নিলামকৃত কাঠের তথ্যাদিঃ

ক্রমিক নং

সন

নিলামকৃত বনজদ্রব্যের বিবরণ

কাঠ

(ঘনফুট)

জ্বালানী

(ঘনফুট)

বল্লী

(সংখ্যা)

২০০১-২০০২ ইং

১,০৭,৯৬২.৮৭

২২,২১৯.০০

৭৩১ টি

২০০২-২০০৩ ইং

৭৩,৬৮৫.২৯

৪,৬৩২.১৪

৭০৭ টি

২০০৩-২০০৪ ইং

৬৩,৮৬৮.৯৩

২২,৯৪১.৭৮

৪৪৮০ টি

২০০৪-২০০৫ ইং

৮২,৫৭১.৭৮

৪৮,৫৫৪.২৪

৩৯৩৮ টি

২০০৫-২০০৬ ইং

৯৭,২০৬.১৪

২২,৮৪০.০০

৫৮৭৩ টি

২০০৬-২০০৭ ইং

৬১,১২২.৫৭

১৮,৫৭৬.০০

৩০০৬ টি

২০০৭-২০০৮ ইং

২৩,৯০৭.০০

১৫,৫৭২.০০

১২৭৬০ টি

২০০৮-২০০৯ ইং

৪১,৫২২.৮৭

২০,৫৪০.০০

১৪৭৬০ টি

২০০৯-২০১০ ইং

৪৬,৪১৬.০০

১৩,১৯৬.০০

৩২১ টি

১০

২০১০-২০১১ ইং

২৭,৭৮৮.৩৮

২০,০৫৩.৫০

৪১৬ টি

১১

২০১১-২০১২ ইং

 

 

 

 

১৮। জোত পারমিট বিষয়ক তথ্যাদি

সন

ইস্যুকৃত ফ্রি লাইসেন্সের পরিমান

বনজদ্রব্যের বিবরণ

কাঠ

(ঘনফুট)

জ্বালানী

(ঘনফুট)

ছন

(ভার)

বল্লী

(লম্বফুট)

২০০১-২০০২ ইং

০৩ টি

৭,৯৬২.৯৮

১৫,০০০.০

২০,০০০

-

২০০২-২০০৩ ইং

০১ টি

৯১৭.৪০

১০০০.০

-

-

২০০৩-২০০৪ ইং

০১ টি

৫০৩.৪০

-

১২,০০০

-

২০০৪-২০০৫ ইং

০১ টি

৪২.৯০

১৫.০

-

-

২০০৫-২০০৬ ইং

০১ টি

১১,৬৬৪.১০

১০,০০০.০

-

-

২০০৬-২০০৭ ইং

-

-

-

-

-

২০০৭-২০০৮ ইং

০৭ টি

৩৬,৩৩৩.১০

২০,৫২০.০

-

৩,৫০০.০

২০০৮-২০০৯ ইং

০৫ টি

৯,৪৩৬.০০

৮,৯০০.০

-

৪২৫.০

২০০৯-২০১০ ইং

০২ টি

৬,৯০৫.৬০

৫,৫০০.০

-

-

২০১০-২০১১ ইং

০১ টি

৫২৭.৬০

২০০.০

-

-

২০১১-২০১২ ইং

 

 

 

 

 

 

১৯। চারা বিতরণঃ-

 

আর্থিক সন

বিক্রয় / বিতরণকৃত চারা (সংখ্যা)

মন্তব্য

২০০১-০২

১,৯৫,১০০

 

২০০২-০৩

৭২,০৯৬

 

২০০৩-০৪

১,০৫,০০০

 

২০০৪-০৫

১,২৫,৩২০

 

২০০৫-০৬

১,৩৫,৪৩০

 

২০০৬-০৭

৩,৬২,৫৩০

প্রতিষ্ঠান বনায়ন সহ।

২০০৭-০৮

৭৯,৭৬২

প্রতিষ্ঠান বনায়ন সহ।

২০০৮-০৯

১,১০,৫০৮

 

২০০৯-১০

১,৮৫,৩১০

জলবায়ু সহ।

২০১০-১১

৮,০৯,৯৯৪

জলবায়ু ও প্রতিষ্ঠান বনায়ন সহ।

২০১১-১২

 

 

 

 

২০।  ২০১১-২০১২ অর্থ বৎসরে বাস্তবায়নাধীন চলমান কার্যক্রমঃ-

 

ক্রমঃ

প্রকল্পের নাম

বাগানের পরিমান

 (হেক্টর/কিঃমিঃ)

রোপিতব্য/উত্তোলিত

  চারার সংখ্যা

উপকারভোগীর সংখ্যা

০১

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ এলাকায় ন্যাড়া পাহাড় বনায়ন প্রকল্প।

১,৩৫০.০ হেক্টর

৩৬,৯৭,৮৫০ টি

৩,৩৩৫ জন

০২

বাঁশ বেত মূর্তা উন্নয়ন প্রকল্প।                         (বাঁশ)

                                                         (বেত)                             

৭৫.০ হেক্টর ৩০.০ হেক্টর

৩৭,০৫০ টি

৩৩,৩৩০ টি

১৮৫ জন

৭৪ জন

০৩

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সারাদেশ ব্যাপী ব্যাপক বনায়নের লক্ষ্যে চারা উত্তোলন প্রকল্প।

বিতরণের জন্য স্ট্যাম্প উত্তোলন

৬০,০০০ টি

 

০৪

সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প।

প্রতিষ্ঠান বনায়ন

  প্রতিষ্ঠান বনায়ন                 

২৫,০০০ টি

 

 

সংযোগ সড়ক ও স্ট্রীপ বনায়ন (৩.০ + ৬.০ কিঃমিঃ)

৯.০ কিঃমিঃ

৯,০০০ টি

৪৫ জন

বসত বাড়ী ও প্রতিষ্ঠান বনায়ন

ঊনায়ন কর্মসূচী

৩,০০০ টি

 

০৫

অনুন্নয়ন খাতে বনায়ন

৬৫.০ হেক্টর

১,৬২,৫০০ টি

১৬১ জন

 

সর্বমোট = বনায়ন পরিকল্পনা

১৫২০.০ হেক্টর

৪০,৫৫,৩৮০ টি

৩,৯২৪ জন

মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে বিতরণের জন্য

 

৬০,০০০ টি

প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়ী বনায়ন

 

২৮,০০০ টি

সংযোগ সড়ক বনায়ন

৯.০ কিলোমিটার

৯,০০০ টি

 

২১। ইটের ভাটা/ব্রীক ফিল্ডে পরিচালিত অভিযানের বিবরণঃ-

উপজেলা/থানা

অভিযান

পরিচালনার সময়কাল

অভিযান পরিচালিত

 ইট ভাটার সংখ্যা

 মামলাভূক্ত

 ইটভাটার

সংখ্যা

গৃহীত পদক্ষেপ

মন্তব্য

০১। মহানগর

 

২০০২ইং

২ টি

০২টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

 

 

২০০৩ ইং

১৫ টি

০৩ টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

০২। মিরশ্বরাই

২০০১ইং

০৩টি

০৩টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

২০০২ইং

০৩টি

০৩টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

২০০৩ইং

০৬টি

০৪টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

০৩। ফটিকছড়ি

২০০২ইং

৯টি

৯টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

৩ টিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হইয়াছে।

 

২০০৩ইং

১৭ টি

১৬ টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

০৪। রাউজান

২০০২ইং

০৬টি

০৬টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে  জরিমানা আদায় করা হইয়াছে।

 

২০০৩ইং

২৫টি

২০টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

০৫। সীতাকুন্ড

২০০২ইং

১৮টি

০৬ টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

 

২০০৩ইং

০৫টি

০৫টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে  জরিমানা আদায় করা হইয়াছে।

 

২০০৪ ইং

০১টি

০১টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

বুল ড্রোজার আটক।

০৬। হাটহাজারী

২০০২ইং

৪৭টি

২৬ টি

 

 

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

০৬ টি মামলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়।

 

২০০৩ইং

৩৩টি

২০টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

০৮ টি মামলায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়।

 

২০০৭ইং

২৭টি

২৭টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

 

০৭। রাংগুনিয়া

২০০৩ইং

১৩টি

১০টি

মামলা দায়ের করা হইয়াছে।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়।

 

২০১১ ইং

০১ টি

০১ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

০৮। হাটহাজারী

২০১১ ইং

০১ টি

০১ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

০৯। ফটিকছড়ি

২০১১ ইং

০৩ টি

০৩ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১০।হাটহাজারী

২০১১ ইং

০৯ টি

০৯ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়।

১১। ফটিকছড়ি

২০১২ ইং

১২ টি

১২ টি

১২। হাটহাজারী

২০১২ ইং

০৩ টি

০৩ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

১৩। মীরসরাই

২০১২ ইং

০৩ টি

০৩ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৪। সীতাকুন্ড

২০১২ ইং

০৬ টি

০৬ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৫। বায়েজীদ

২০১২ ইং

০২ টি

০২ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৬। চান্দগাঁও

২০১২ ইং

০২ টি

০২ টি

মামলা দায়ের করা হয়েছে।

                 

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সমস্যা ও সম্ভাব্য প্রস্তাব

 

০১।বন ভূমি রক্ষণাবেক্ষণ, রেকর্ড সংশোধন ইত্যাদি কাজের জন্য এস্টেট অফিসার এবং ল্যান্ড ইউনিট গঠন।

০২। জনবলের স্বল্পতা দূরীকরণ।

০৩। বন ভূমি হতে জবরদখল উচ্ছেদ কল্পে বনায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহন।

০৪। দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় জীবনের ঝুঁকি আছে বিধায় বন কর্মচারীদের জন্য ঝুঁকিভাতা প্রদান।

০৫। আটক আসামীকে খাবার প্রদান, আদালতে প্রেরণ ব্যয় ও প্রাথমিক  চিকিৎসা ব্যয় ইত্যাদি প্রদান।

 

০৬। পুলিশ বিভাগের ন্যায় সর্বস্তরের বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রেশন প্রদান।

০৭। বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের প্রকৃতি ভিন্ন বিধায় সতন্ত্র বেতন স্কেল প্রদান।

০৮। যানবাহনের অপ্রতুলতা, মেরামত ব্যয়ের স্বল্পতা, জ্বালানী তেলের অপ্রতুলতা।

০৯।আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবস্থা গ্রহন।

১০। বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারীভাবে মোবাইল ফোন বরাদ্ধ করণ।

১১। বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভ্রমন ভাতা মঞ্জুরী বৃদ্ধি করণের ব্যবস্থা গ্রহন।

১২। মিনিস্টারিয়াল কর্মচারীদের টিফিন ভাতার মঞ্জুরী বৃদ্ধি করণের ব্যবস্থা গ্রহন।

১৩।অফিস, আবাসনের দৈন্যদশা হতে উত্তোরণ।

১৪। আসবাবপত্র, অফিস ষ্টেশনারীর স্বল্পতা দূরীকরণ।

১৫। সকল পদের পদোন্নতির ব্যবস্থা করণ।

১৬। রাজস্ব বিভাগ কর্তৃক বন বিভাগের বালু ও পাথর মহাল কোয়ারী ইজারা না দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহন।

১৭। ইউনিফরমের অপ্রতুলতা দূরীকরণ।

১৮। পার্টস অব ইউনিফরম হিসেবে রিভলভার/পিস্তল প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন।

১৯। রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত কর্মচারীদের নিয়মিত ও স্থায়ী করণের আদেশ জারী করণ।

২০। সরকারী দায়িত্ব পালনকালে আহত-নিহত বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এককালীন অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন।

 

 

 

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের তথ্যাদি

 

১। ১৩ টি রেঞ্জ, ২৮ টি বিট, ০৩ টি বনজদ্রব্য পরীক্ষণ ফাঁড়ী, ০২ টি ডিপো, ৩ টি এসএফএনটিসি, ৩ টি এসএফপিসি

    সহ মোট ৫২ টি ইউনিট নিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ।

 

২। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় মোট বনভূমি প্রায় ১,৪০,০০০.০০ একর বা ৫৭,০০০.০০ হেক্টর।

 

৩। বিগত ৩ বছরে  ৮,২৯,৩৬০ টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

 

৪। চলতি ২০১১-১২ সনে ৬০,০০০ টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

 

৫। বিগত ৩ বছরে প্রায় ৮,৬১১ জন উপকারভোগীকে সম্পৃক্ত করে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ ৩,৪৭৭.০ হেক্টর বন বাগান

     ও ৫১ কিঃমিঃ স্টীপ বাগান সৃজন করেছে এবং এ বনায়নে  ৮৩,৯২,৫৪০ টি চারা রোপণ করা হয়েছে।

 

৬। চলতি অর্থ বছরে ৩,৯৫০ জন উপকারভোগীকে সম্পৃক্ত করে  ১,৫৬০.০ হেক্টর বন বাগান ও ৩.০ কিঃমিঃ স্টীপ বাগান

     সৃজন  করা হবে এবং এ বনায়নে৪০,৬৮,৩৮০ টি চারা রোপণ করা হবে।

 

৭। জনবল ও যানবাহন স্বল্পতা চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের প্রধান সমস্যা।

 

৮। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অভিযানে ৪২ টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

 

 

২১। সৃজিত বন বাগানঃ-

      সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রকল্পে ও অনুন্নয়ন এর অধীনে বাস্তবায়িত বাগানের পরিমান ও উপকারভোগীদের তথ্যঃ-

 

 প্রকল্প

সন

বাগানের প্রকার

বাগানের পরিমান (হেক্টর/কিঃমিঃ)

উপকারভোগীর সংখ্যা (জন)

 ফরেষ্ট্রী সেক্টর প্রকল্প

২০০১-০২

স্ট্রীপ

৩২.০

২১০

২০০২-০৩

 উডলট

৩২৬.০

৩২৬

এগ্রোফরেষ্ট্রী

৯৩.০

৯৩

বাফারজোন

৩০০.০

৩০০

স্ট্রীপ

২৫.০

১৫০

২০০৩-০৪

উডলট

৬২৬.০

৬২৬

এগ্রোফরেষ্ট্রী

৯৩.০

৯৩

বাফারজোন

৪০০.০

৪০০

স্ট্রীপ

১৮.০

১৩০

২০০৪-০৫

উডলট

১৫০.০

১৫০

এগ্রোফরেষ্ট্রী

১০৫.০

১০৫

বাফারজোন

১৫০.০

১৫০

২০০৫-০৬

উডলট

২০০.০

২০০

এগ্রোফরেষ্ট্রী

২৯৩.০

২৯৩

বাফারজোন

৩০০.০০

৩০০

 

মোট =

৩,০৩৬.০ হেক্টর

৭৫.০ কিঃমিঃ

৩০৩৬ জন

৪৯০ জন

 

এফ আর এম প্রকল্প

 

২০০০-০১

দীর্ঘমেয়াদী

৯০.০

৯০

 

মোট =

৯০.০ হেক্টর

৯০ জন

 

বাঁশ,বেত ও মুর্তা উন্নয়ন প্রকল্প

১৯৯৮-৯৯

বাঁশ

বেত

৫৬.৬৬

৭৬.৯১

৫৭

৭৭

১৯৯৯-০০

বাঁশ

বেত

৩০.০০

২৫.০০

৩০

২৫

২০০০-০১

বাঁশ

বেত

৬৫.০০

৬০.০০

৬৫

৬০

২০০১-০২

বেত

৮০.০০

৮০

২০০২-০৩

বেত

৭০.০০

৭০

২০০৩-০৪

বেত

৫৫.০০

৫৫

২০০৪-০৫

বাঁশ

বেত

৭০.০০

৪০.০০

৭০

৪০

২০০৫-০৬

বাঁশ

বেত

৮৫.০০

২৭৫.০০

৮৫

২৭৫

 মোট =

বাঁশ

বেত

৩০৬.৬৬

৬৮১.৯১

৩০৭ জন

৬৮২ জন

 

প্রকল্প

সন

বাগানের প্রকার

বাগানের পরিমান (হেক্টর/কিঃমিঃ)

উপকারভোগীর সংখ্যা (জন)

আগর বাগান সৃজন  প্রকল্প(পরীক্ষামুলক)         

১৯৯৯-০০

আগর বাগান

১৪.৪৬

১৫

২০০০-০১

আগর বাগান

৫০.০০

৫০

২০০১-০২

আগর বাগান

২০.০০

২০

২০০২-০৩

আগর বাগান

৩০.০০

৩০

২০০৩-০৪

আগর বাগান

১৪.০০

১৪

আগর বাগান সৃজন  প্রকল্প (২য় পর্যায়)         

২০০৭-০৮

আগর বাগান

১০৬.০০

১০৬

২০০৮-০৯

আগর বাগান

১০০.০০

২৪৭

 

মোট =

৩৩৪.৪৬

৪৮২

রাম সীতাকুন্ড এলাকায় নগ্ন পাহাড় বনায়ন প্রকল্প

২০০১-০২

 দীর্ঘমেয়াদী

৩৭.৫০

৩৮ জন

স্বল্পমেয়াদী

১৫.০০

১৫

জ্বালানী কাঠ

১৮.০০

১৮

২০০২-০৩

দীর্ঘমেয়াদী

৭০.০০

৭০

সেগুন

২২.৩৬

২৩

স্বল্পমেয়াদী

৬০০.০০

৬০০

জ্বালানী কাঠ

২৬০.০০

২৬০

২০০৩-০৪

দীর্ঘমেয়াদী

৫৬০.০০

৫৬০

সেগুন

২১০.০০

২১০

স্বল্পমেয়াদী

৪৫০.০০

৪৫০

জ্বালানী কাঠ

১৩৫.০০

১৩৫

২০০৪-০৫

দীর্ঘমেয়াদী

৩৬২.৫০

৩৬৩

সেগুন

১০০.০০

১০০

স্বল্পমেয়াদী

৪০০.০০

৪০০

জ্বালানী কাঠ

৩০০.০০

৩০০

২০০৫-০৬

দীর্ঘমেয়াদী

৩০০.০০

৩০০

সেগুন

৬৭.৬৪

৬৮

স্বল্পমেয়াদী

২৩৫.০০

২৩৫

জ্বালানী কাঠ

২৮৭.০০

২৮৭

২০০৬-০৭

দীর্ঘমেয়াদী

২৭০.০০

২৭০

স্বল্পমেয়াদী

২৬৫.০০

২৬৫

মোট =

৪৯৬৫.০০

৪৯৬৭ জন

অনুন্নয়ন

সন

বাগানের প্রকার

বাগানের পরিমান (হেক্টর/কিঃমিঃ)

উপকারভোগীর সংখ্যা (জন)

অনুন্নয়ন

২০০৬-০৭

স্বল্প মেয়াদী

৩৫.০০

৩৫

২০০৭-০৮

স্বল্প মেয়াদী

৪১০.৬৩

৪২৬

২০০৮-০৯

উডলট

দীর্ঘমেয়াদী

সেগুন বাগান

৬৫.০০

৪৫.০০

৫.০০

১৬১

১১২

১৩

মোট =

৫৬০.৬৩

৭৪৭ জন

সর্বমোট =

৯,৯৭৪.৬৬ হেঃ

৭৫. কিঃমিঃ

১০,৩১১ জন

৪৯০ জন

 

 

২২। ভূমি ধস এলাকায় বনায়নের তথ্যঃ-(দূর্ঘটনা কবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়)।

 

ক্রমঃ

আর্থিক সন

বনায়ন এলাকার নাম

আনুমানিক পরিমান (হেঃ)

রোপিত চারা

০১।

২০০৬-২০০৭

লেবু বাগান ও কাইচ্চাঘোনা

৫.০০

১২,৬০০

০১।

২০০৭-২০০৮

পরিবেশ অধিদপ্তর অফিস কম্পাউন্ড ও সংলগ্ন পাহাড়

০.২০

৫০০

০২।

 

রেল বিভাগের টাইগারপাস সংলগ্ন পাহাড়, রেল বিভাগের মহা-ব্যবস্থাপক/পূর্ব এঁর অফিস কম্পাউন্ড ও আশ-পাশের পাহাড়ী এলাকায়

১০.৫০

২৬,২৫০

০৩।

 

গনপূর্ত বিভাগের পাহাড় (বাটালী হীল)

২.৮০

৭,০০০

০৪।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বত্বাধীন বাটালীহিল

(মতি ঝর্নার উপরের অংশ)

১.৫০

৩,৭৫০

০৫।

 

সেকান্দর কলোনী

৫.০০

১২,৫০০

০৬।

 

চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট হেলী প্যাড সংলগ্ন পাহাড়, ১৪৩ ফিল্ড ওয়ার্কসপ সংলগ্ন পাহাড়, জাহাংগীর লেন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন পাহাড়, ভাটিয়ারী ১০.০ কিঃ মিঃ এবং ১১.০ কিঃ মিঃএর মধ্যবর্তীস্থানের পাহাড় (সেকান্দর কলোনীর পার্শ্বে) সহ বিভিন্ন স্থানে

২০.০০

৫০,০০০

০৭।

 

হিল ভিউ, পাঁচলাইশ (ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড়)

১.০০

২,৫০০

 

 

২০০৬-০৭ + ২০০৭-০৮

৪৬.০ হেঃ

১,১৫,১০০টি

০৮।

২০০৮-০৯

মতি ঝর্ণা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশণ কবরস্থান ও সংলগ্ন পাহাড়

১০.০ হেঃ

২৫,০০০ টি

 

তাহাছাড়া প্রতিষ্ঠান বনায়নের আওতায় ২০০৬-০৭ সালে ১০,০০০ টি এবং ২০০৭-০৮ সালে ১০,০০০ টি চারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রোপণ করা হইয়াছে।

 

 

২৩। নগর বনায়ন প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৩-৯৪ হতে ১৯৯৬-৯৭ আর্থিক সাল পর্যন্ত বনায়নঃ-

ক্রমিক নং

বনায়ন এলাকার নাম

আনুমানিক পরিমান (হেক্টর)

আর্থিক সাল

মন্তব্য

০১।

ফয়েজ লেক

১১১.৩৮

১৯৯৩-৯৬

 

০২।

চট্টগ্রাম সেনানিবাস

১৭৩.০০

১৯৯৩-৯৬

 

০৩।

টাইগার পাস, সি আর বি, পাহাড়তলী

২৭.৬২

১৯৯৩-৯৭

 

০৪।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

৪.০

১৯৯৩-৯৫

 

০৫।

কাষ্টম একাডেমী, বি সি এস আই আর

৪.০

১৯৯৩-৯৫

 

 

                                                   মোট =

৩২০.০ হেঃ

১৯৯৩-৯৭

ব্লক বাগান

সিটি কর্পোরেশণ / মহানগর এলাকায় সড়ক বনায়ন-       মোট =    

৯৩.৫ কিঃমিঃ

১৯৯৩-৯৭

সড়ক বনায়ন

 

২৪। সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধানঃ-

 

ক্রমঃ

সমস্যা

সম্ভাব্য সমাধান

১.

ল্যান্ড ইউনিট গঠনঃ-

বন বিভাগের সৃষ্টিলগ্ন হইতেই বন ভূমির রেকর্ড সংরক্ষণ, সংশোধন, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজের জন্য পৃথক কোন ভূমি কর্মকর্তা বা এস্টেট অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য পৃথক কোন ল্যান্ড ইউনিট বা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত নাই। বর্তমানে বিদ্যমান স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারাই ভূমি সংশ্লিষ্ট কাজ গুলি অন্যান্য কাজের পাশাপাশি সম্পাদন করা হইয়া থাকে। যাহা কষ্টসাধ্য এবং অসম্ভব প্রায়।

বন ভূমি সমৃদ্ধ প্রতিটি বন বিভাগের জন্য ভূমি কর্মকর্তা বা এস্টেট অফিসার সহ ল্যান্ড ইউনিট গঠন প্রয়োজন।

২.

বন অধিদপ্তরের জনবল বৃদ্ধিঃ- বন অধিদপ্তরের ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক ইউনিট হিসাবে একটি বিটের অধীনে গড়ে ২/৩ হাজার হেক্টর বন ভূমি থাকে, যাহার মধ্যে বন বাগান, বনজসম্পদ ও  শত শত কোটি টাকার পরিবেশ-প্রতিবেশ ও জীব-বৈচিত্র বিদ্যমান থাকে। বনভূমি শাসন-সংরক্ষণ, সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাগান সৃজন, বনজসম্পদের সুষ্টু সংরক্ষণ, জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ, বনজদ্রব্যের অবৈধ পাচার প্রতিরোধ, অভিযান পরিচালনা, বন মামলা দায়ের, দূর্গম পাহাড়ী এলাকা হইতে বন অপরাধী/আসামী গ্রেফতার করণ ও আদালতে প্রেরণ, নার্সারীতে চারা উত্তোলন, বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করণ, বিভাগীয় কার্যালয়ে বৎসরে প্রায় ২০ হাজার সরকারী পত্র আদান-প্রদান ইত্যাদি কার্যাদি অত্যন্ত সাহসিকতা ও গুরুত্বের সহিত এই সমস্থ কাজ অপ্রতুল বা স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী দ্বারা সম্পাদন কষ্টসাধ্য। ফলে বন প্রশাসনে বিভিন্নমুখি বাধার সম্মূখিন হইতে হয়।

বন বিভাগের যুগপোযোগী জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

৩.

বন ভূমি জবরদখলঃ-  চট্টগ্রাম জেলায় ১৯৭১ ইং এর স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী সময় এবং ১৯৯১ ইং সনের ২৯ শে এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে আশ্রয় ও সহায় সম্বলহীন মানুষ বন এলাকার বেশ কিছু জমিতে আশ্রয় গ্রহন সহ জবরদখল করিয়াছিল। অংশীদারিত্ব মূলক বনায়ন পদ্ধতি প্রচলনের পর অংশীদারিত্ব মূলক বনায়নের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমান বনভূমি জবরদখলের আওতামূক্ত করা সম্ভব হইয়াছে। ২,৫৫৬.৫২ হেক্টর বাড়ী-ঘর সমৃদ্ধ এবং  ৫,৩৬০.০০হেক্টর বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকা সহ প্রায় ৭,৯১৬.৫২ হেক্টর বন এলাকায় এখনও জবরদখল রহিয়াছে। জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ বিষয়ে জবরদখল উচ্ছেদ কমিটিতে ১৯৬২ টি প্রস্তাব প্রেরণ করা হইয়াছে। বর্তমানে নূতনভাবে যাহাতে বনভূমি জবরদখল না হয় তাহার প্রতি বনকর্মচারীগন সতর্কতা অবলম্বন করিতেছে।

জনগনের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত বনায়ন কর্মসূচী গ্রহন করা হইলে বনভূমি জবরদখলমূক্ত রাখা সহজ হইবে।

৪.

বন কর্মচারীদের জন্য ঝুঁকিভাতাঃ- বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় অবস্থান করিয়া জীবনের ঝুঁকি নিয়া গুরুত্বের সহিত অর্পিত সরকারী কার্য সম্পাদন করিয়া থাকেন। এমনকি দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় সরকারী দায়িত্ব পালনকালে দুষ্কৃতকারীদের হাতে বন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিহত-আহত হওয়ার মত অসংখ্য ঘটনাও রহিয়াছে। ২০০১-০২ সন হইতে এই পর্যন্ত সরকারী দায়িত্ব পালনকালে ৬৬ জন বন কর্মচারী আহত ও ০১ জন বন কর্মচারী নিহত হইয়াছেন। তিন পার্বত্য জেলার দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় কিছু সংখ্যক আর্মি ক্যাম্প ছাড়া বাংলাদেশের কোন সরকারী কার্যালয় নাই, কিন্তু বন বিভাগের বন কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়া অসহায় অবস্থায় এহেন দূর্গম এলাকায় সরকারী দায়িত্ব পালন করিয়া থাকেন। কিন্তু বন কর্মচারীদের জন্য ঝুঁকিভাতা প্রদানের কোন ব্যবস্থা নাই।

বন কর্মচারীদের জন্য ঝুঁকিভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

 

 

 

৫.

 

 

৬.

আটক আসামী আদালতে প্রেরণ ও চিকিৎসাখরচ ইত্যাদিঃ-বন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক বনাঞ্চলে আটক আসামীদের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা হইতে চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত আদালতে বা কারাগারে প্রেরণ করিতে হয়।  আদালত হইতে বিট/বনাঞ্চলের দুরত্ব প্রায় ২০.০ হইতে ৮৫.০ কিলোমিটার। দূর্গম পাহাড়ী এলাকা হইতে আটক/ধৃত আসামী চট্টগ্রাম শহরে আনা ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুলও বটে। তাহাছাড়া আটক আসামীকে আদালতে প্রেরণের পূর্ব পর্যন্ত খাওয়াইতে হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধীগন দৌঁড়াইয়া পলায়নের চেষ্টাকালে গাছের সাথে ধাক্কা লাগিযা কিংবা পা ফসকাইয়া পড়িয়া আঘাত প্রাপ্ত হইয়া থাকে। ফলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানও প্রয়োজন হইয়া পড়ে। কিন্তু আসামীকে কোর্টে প্রেরণের যাতায়াত খরচ, খাবার খরচ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা খরচ বাবদ সরকারী কোন বরাদ্ধ না থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীগন নানাবিধ সমস্যার সম্মূখিন হইয়া থাকেন।

আটক আসামী আদালতে প্রেরণ খরচ,খাওয়া খরচ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা খরচের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

৭.

রেশন প্রদানঃ-বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন অত্যন্ত সাহসিকতা ও গুরুত্বের সহিত সরকারী কার্য সম্পাদন ও বিভিন্নভাবে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখিয়া থাকে। বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকার সম্প্রতি পুলিশ বিভাগের আই জি হইতে সাধারণ পুলিশ প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার সদস্য এবং সিভিল স্টাফদের সমান রেশন প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করিয়াছেন। বন বিভাগে  মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ১০/১১ হাজার মাত্র। রেশণ প্রদান পদ্ধতি চালু করা হইলে স্বাভাবিকভাবে বন কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা আরও বৃদ্ধি পাইবে এবং বন সংরক্ষণের কাজে বন কর্মচারীরা অধিকতর মনোনিবেশ করিবে।

বর্তমান দ্রব্যমূল্য, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বন বিভাগের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পুলিশ বিভাগের অনুরূপ রেশণ প্রদান প্রয়োজন।

৮.

সতন্ত্র বেতন স্কেলঃ- বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের ধরণ কারিগরী প্রকৃতির বা টেক্নিক্যাল। অথচ অন্যান্য সরকারী দপ্তর-অধিদপ্তরের অনুরূপ বেতন-ভাতা ব্যতীত বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বন কর্মচারীদের জন্য নাই।

সকল পর্যায়ের বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সতন্ত্র বেতন স্কেল - ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

৯.

যানবাহন সমস্যা, জ্বালানী তেলের অপ্রতুলতা ইত্যাদিঃ- ২০০১-০২ সন হইতে এই পর্যন্ত বনজদ্রব্য অবৈধভাবে পাচারকালে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন প্রায় ১০০০ জন আসামীকে হাতে নাতে গ্রেফতার এবং অবৈধভাবে বনজদ্রব্য পরিবহন ও পাচারকালে ৬২৫ টি যানবাহন আটক করিয়া আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিয়াছে। বনজদ্রব্য পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিক বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে কোন স্থানে দ্রুত গমন করিতে হয়। অথচ প্রয়োজনীয় যানবাহন নাই, বিভাগীয় সদরে ২/১ টি যানবাহন থাকিলেও জ্বালানী তেল ও মেরামত মঞ্জুরী স্বল্পতার কারনে তাহাও ব্যবহার করা কষ্টসাধ্য। বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারীভাবে যানবাহনের ব্যবস্থা না থাকায় তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহন কষ্টসাধ্য হইয়া পড়ে।

সার্বক্ষনিক টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে প্রতি রেঞ্জে কমপক্ষে ১ টি পিক্আপ, ২ টি মটর সাইকেল, প্রতি বিট/চেক ষ্টেষণে ২ টি মটর সাইকেলের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন এবং যানবাহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানী তেল ও মেরামতের জন্য অর্থের প্রয়োজন।

 

ক্রমঃ

সমস্যা

সম্ভাব্য সমাধান

১০.

আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র না থাকাঃ-অবৈধভাবে কাঠ পাচারকারীদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র থাকিলেও বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিকট পুরাতন আমলের কিছু রাইফেল ও হাতে গুনা কয়েকটি এস.এল.আর, চাইনিজ রাইফেল, বন্দুক ছাড়া পর্যাপ্ত এবং আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র নাই। ফলে কোন  কোন সময় কাঠ পাচারকারীদের প্রতিহত করা কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হইয়া পড়ে।   মোবাইল ফোন, আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ইত্যাদি নাই।

প্রতিটি বিটে কমপক্ষে ৫ টি চাইনিজ রাইফেল, প্রতি বন কর্মকর্তার জন্য পার্টস অব ইউনিফরম হিসাবে রিভলভার / পিস্তল প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

১১.

সরকারীভাবে মোবাইল ফোনঃ- বনজদ্রব্যের অবৈধ পাচার প্রতিরোধ, দূর্গম পাহাড়ী এলাকা হইতে বন অপরাধী গ্রেফতার, বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা ইত্যাদি কার্যাদি বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন যথেষ্ট যোগ্যতার সহিত করিয়া থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় অবস্থান করিয়া জীবনের ঝুঁকি নিয়া গুরুত্বের সহিত অর্পিত সরকারী কার্য সম্পাদন করিয়া থাকেন। বর্তমানে অবৈধভাবে কাঠ পাচারকারীদের হাতে অত্যাধুনিক মোবাইল ফোন থাকায় অবৈধভাবে বনজদ্রব্য পরিবহন ও পাচারকালে বন কর্মকর্তাদের গতিবিধি সম্পর্কে তাহাদের নেটওয়ার্ক দ্রুত জানাইতে সক্ষম হয়। কিন্তু বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারীভাবে মোবাইল ফোন না থাকায় সমূহ সমস্যার সম্মূখিন হইতে হয়।

বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারীভাবে মোবাইল ফোন ও ফোন বিল প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

 ১২.

ভ্রমন ভাতা, টিফিন ভাতার মঞ্জুরী স্বল্পতাঃ- হাজার হাজার বন মামলা সহ বিচারাধীন সমূদয় মামলায় সাক্ষ্য প্রদানের জন্য দূরদূরান্ত  হইতে আসা-যাওয়া, বদলি সহ স্বাভাবিক সরকারী দায়িত্ব পালনের জন্য বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ভ্রমন ভাতা ব্যয় করিয়া থাকেন। অন্য দিকে দাপ্তরিক কর্মচারীগন স্টাফ স্বল্পতার কারণে এবং কাজের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নির্ধারিত অফিস সময়ের পরও কাজ করিয়া থাকেন। বৎসরে কমপক্ষে ১০/১২ লক্ষ টাকা ভ্রমন-ভাতা মঞ্জুরী ও পর্যাপ্ত টিফিনভাতা মঞ্জুরী প্রয়োজন। কিন্তু ২০০৮-০৯ আ©র্র্থক সনে মাত্র ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ভ্রমন-ভাতা মঞ্জুরী পাওয়া গিয়াছে। যাহা অপ্রতুল।

প্রয়োজনীয় ভ্রমন-ভাতা এবংটিফিনভাতারজন্য প্রয়োজনীয় মঞ্জুরী না থাকায় তাহা প্রদান করা সম্ভব হয়না। পর্যাপ্ত ভ্রমন ভাতা ও টিফিন ভাতার মঞ্জুরী প্রদান প্রয়োজন।

 

১৩.

অফিস, আবাসনের দৈন্যদশাঃ- অধিকাংশ ক্ষেত্রে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় অবস্থান করিয়া জীবনের ঝুঁকি নিয়া গুরুত্বের সহিত অর্পিত সরকারী কার্য সম্পাদন করিয়া থাকেন। বন বিভাগের সদর দপ্তর সহ মাঠ পর্যায়ের পুরাতন অফিস, বাসগৃহ সমূহ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় মঞ্জুরী না থাকায় প্রায়ই ব্যবহার ও বসবাসের অযোগ্য হইয়া পড়িয়াছে। মাঠ পর্যায়ে বহুলাংশে ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় ভাড়ায় থাকার মত কোন বাসাও পাওয়া যায়না। ফলে অধিকাংশ বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগন অফিস ব্যবহারে এবং সরকারী বাসগৃহে বসবাসে সীমাহীন কষ্ট ভোগ সহ মানবেতর দিন যাপন করিয়া থাকেন।

বন বিভাগের প্রয়োজনীয় নতুন অফিস ও বাসগৃহ নির্মাণ সহ পুরাতন অফিস, বাসগৃহ সমূহ মেরামত প্রয়োজন।

 

১৪.

আসবাবপত্র, ষ্টেশনারীর অপ্রতুলতাঃ-অফিস আসবাবপত্র ও ষ্টেশনারী খাতে সরকারী বরাদ্ধ অতি নগন্য। বিভাগীয় কার্যালয় সহ প্রায় ৫৫ টি ইউনিটের জন্য ২০০৮-০৯ আর্থিক সালে মাত্র ৫১,০০০/- টাকা স্টেশনারী খাতে বরাদ্ধ ছিল। এমনকি বিদ্যমান পূরাতন আসবাবপত্রগুলি মেরামতও অর্থের অভাবে সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন কষ্টসাধ্য ও দূরূহ হইয়া পড়িয়াছে।

অফিস আসবাবপত্র, ষ্টেশনারীরজন্য পর্যাপ্ত মঞ্জুরী প্রদান প্রয়োজন।

১৫.

প্রকল্পের জনবল রাজস্বখাতে স্থানান্তরঃ-চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ২০০০-০১ সনে শুরু হওয়া ’’রামগড়-সীতাকুন্ড এলাকায় নগ্নপাহাড় বনায়ন প্রকল্প’’ ২০০৬-০৭ সালে সমাপ্ত হয়। প্রকল্পের জনবল রাজস্বখাতে স্থানান্তর না হওয়ায় সমাপ্ত প্রকল্পের কর্মচারীগন বেতন-ভাতার অভাবে দিনাতিপাত করিতেছে। বর্ণিত প্রকল্পের অধীনে সৃজিত বাগানগুলি রক্ষণাবেক্ষণ সহ সার্বিক কার্যক্রমের লক্ষ্যে সরকারী স্বার্থে বর্তমানে কর্মরত ৪৬ জন কর্মচারীর পদ রাজস্বখাতে স্থানান্তরের প্রস্তাব ২৩/০৭/২০০৯ ইং তারিখে সংস্থাপন মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হইয়াছে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৭/২০০৯ ইং তারিখের প্রস্তাব মতে বর্তমানে কর্মরত ৪৬ জন কর্মচারীর পদ রাজস্বখাতে স্থানান্তরের বিষয়টি ত্বরান্বিত করণ প্রয়োজন।

 

ক্রমঃ

সমস্যা

সম্ভাব্য সমাধান

১৬.

ব্লকপোস্টধারীমিনিস্টারিয়াল কর্মচারীদের পদোন্নতির ব্যবস্থা করণঃ-  বন অধিদপ্তরের মিনিস্টারিয়াল কর্মচারীদের মধ্যে ড্রাফটসম্যান, স্টেনো-টাইপিস্ট, ক্যাশিয়ার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, সার্ভেয়ার ইত্যাদি বর্তমানে ব্লক পোস্ট হিসাবে আছে। ফলে তাহারা পদোন্নতি হইতে বঞ্চিত হইতেছেন। অথচ এই সমস্থ পদে কর্মরত কর্মচারীরা যথেষ্ট যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সাথে কেহ কেহ ২৫/৩০ বৎসর বা তথোধিক সময় একই পদে তাহাদের কাজকর্ম সম্পাদন করিয়া যাইতেছেন। তাহারা একই পদে নিয়োগ লাভ করিয়া একই পদে অবসর গ্রহন করিতেছেন।  বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক।

অন্যান্য দপ্তর / অধিদপ্তরের অনুরূপ ড্রাফটসম্যান, স্টেনো-টাইপিস্ট, ক্যাশিয়ার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, সার্ভেয়ার ইত্যাদি পদে কর্মরতদের পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

 

১৭.

মিনিস্টারিয়াল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতিঃ-বন অধিদপ্তরের পদোন্নতিযোগ্য মিনিস্টারিয়াল কর্মচারীদের দীর্ঘদিন যাবৎ পদোন্নতি না হওয়ায় বর্তমানে প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী সহ বিভিন্ন পদ শুন্য রহিয়াছে। ফলে সরকারী কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি হইতেছে।

মিনিস্টারিয়াল কর্মচারীদের শূণ্য পদ নিয়োগবিধি অনুযায়ী পদোন্নতির মাধ্যমে দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন।

১৮.

নির্বাহী  পদে পদোন্নতিঃ-বন অধিদপ্তরের পদোন্নতিযোগ্য নির্বাহী পদ ফরেস্ট রেঞ্জার, ডেপুটি রেঞ্জার, ফরেস্টার, বন প্রহরী সহ পদগুলি দীর্ঘদিন যাবৎ পদোন্নতি না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীগন প্রায়শই পদোন্নতির আবেদন-নিবেদন করিয়া থাকেন। কোন কোন ক্ষেত্রে একই পদে নিয়োগ লাভ করিয়া একই পদে অবসর গ্রহন করিতেছেন।

নির্বাহী পদগুলি নিয়োগবিধি অনুযায়ী দ্রুত পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা প্রয়োজন।

 

 

১৯.

বালু ও পাথর মহাল কোয়ারী ইজারাঃ-চট্টগ্রাম জেলার ’’বালু ও পাথর মহাল কোয়ারী ইজারা’’ কমিটির সভায় বন বিভাগের পূর্বানুমতি ব্যাতিরেকে সংরক্ষিত বন ভূমি এলাকার ছড়া হইতে বালু মহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়। বন বিভাগের আপত্তি আমলে আনা হয় না। বিষয়টি বনাঞ্চল ও বনজ সম্পদ রক্ষার জন্য হুমকী স্বরূপ। রামগড়-সীতাকুন্ড রিজার্ভড ফরেস্ট এলাকা হইতে প্রদত্ত বালু মহাল ইজারা বাতিল করার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় কর্তৃক ভূমি মন্ত্রনালয়কে অনুরোধ জানাইলেও কোন ফল লাভ হয় নাই।

জেলার ’’বালু ও পাথর মহাল কোয়ারী ইজারা’’ কমিটির সভায় কোন অবস্থাতেই যাহাতে সংরক্ষিত বন ভূমি এলাকার ছড়া হইতে বালু মহাল ইজারা প্রদান করা না হয় তাহার আদেশ জারী করা প্রয়োজন।

২০.

উন্নয়ন কার্যক্রমের অপ্রতুলতাঃ- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে বনায়ন কার্যক্রম স্বল্প পরিসরে থাকায় বনাঞ্চলে বৃক্ষ সৃজন আশানুরূপ হইতেছেনা। ২০০৮-০৯ আ©র্র্থক সনে মাত্র ২০০.০ হেক্টর এলাকায় বনায়ন করা সম্ভব হইয়াছে। যাহা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগন্য। বন ভূমি ও জনসংখ্যার অনুপাতে উন্নয়ন কার্যক্রম অপ্রতুল।

উন্নয়ন কার্যক্রম বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

 

২১

ইউনিফরমের অপ্রতুলতাঃ- সরকারী দায়িত্ব পালনকালে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীগনের ইউনিফরম পরিধান করিতে হয়। কিন্তু বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ইউনিফরম সরবরাহ পাওয়া যায় না। ইউনিফরম সরবরাহ না পাওয়ায় মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদেরও প্রয়োজনীয় ইউনিফরম সরবরাহ করা সম্ভব হয় না।

বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ইউনিফরম সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহন প্রয়োজন।

ছবি